April 19, 2026, 3:08 pm

পানছড়ি সীমান্তে চোরাচালানের পণ্য আটক

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :পার্বত্য খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করতে গিয়ে অবৈধ চোরাচালানের মাধ্যমে ভারতে পাচারের প্রস্তুতিকালে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্য আটক করেছে গিলাতলী বিওপি, ৩ বিজিবি সদস্যরা।

বিজিবি সূত্র জানায়, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার দুপুরে নায়েব সুবেদার মোঃ মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে টহল দল সীমান্তসংলগ্ন আম বাগান এলাকা থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা পণ্যগুলো উদ্ধার করে। আটককৃত পণ্যের মধ্যে ছিল— সিস্টেম প্লাস কীটনাশক, বেবিসেট কীটনাশক, চ্যাপা শুটকি, পপ ক্রিম এবং বনলতা সালসা। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা।

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) জানায়, পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান রোধ, শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিজিবি নিয়মিতভাবে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অপরাধ ও চোরাকারবারী সনাক্তে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

আটককৃত পণ্যসমূহ চট্টগ্রাম কাস্টমস অফিসে জমাদানের প্রক্রিয়া চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা